লিখেছে টপ ডক্টরস খুলনা টিম · · ২ মিনিটে পড়ুন
জ্বর নিজে কোনো রোগ নয় — এটা শরীরের ইনফেকশনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের লক্ষণ। বেশিরভাগ ভাইরাল জ্বর কয়েক দিনে সেরে যায়। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে কিছু লক্ষণ দেখলে দ্রুত ডাক্তার দেখানো জরুরি।
সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তার বা হাসপাতালে নিন যদি
- শিশুর বয়স ৩ মাসের কম এবং জ্বর আছে
- খিঁচুনি হয়
- শ্বাস দ্রুত চলে, বুকের নিচ দেবে যায় বা ঠোঁট নীল হয়
- শিশু অস্বাভাবিক ঘুমঘুম, নিস্তেজ বা জাগানো কঠিন
- বুকের দুধ বা খাবার একেবারে খেতে পারছে না, বারবার বমি করছে
- ৬–৮ ঘণ্টা প্রস্রাব হয়নি
- শরীরে চাপ দিলেও মিলিয়ে যায় না এমন লাল-বেগুনি দাগ
শিশু বিশেষজ্ঞের চেম্বারে নিন যদি
- জ্বর ৩ দিনের বেশি থাকে
- কানে ব্যথা, গলা ব্যথা বা প্রস্রাবে কান্না করে
- জ্বর কমার পরও শিশু খেলছে না বা খাচ্ছে না
- ডেঙ্গুর মৌসুমে জ্বর — বিশেষ করে পেট ব্যথা বা বমি থাকলে
বাসায় যত্ন
- বারবার বুকের দুধ, পানি, স্যুপ বা ওরস্যালাইন দিন
- হালকা কাপড় পরান, কম্বলে মুড়িয়ে রাখবেন না
- কুসুম গরম পানিতে শরীর মুছে দিন
- ওজন অনুযায়ী ডোজে প্যারাসিটামল দিন — ডোজ ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিন
- শিশুকে অ্যাসপিরিন দেবেন না
ডাক্তারের কাছে যা নিয়ে যাবেন
জ্বর কবে শুরু, কত পর্যন্ত উঠেছে, কী ওষুধ কতবার দিয়েছেন — লিখে নিন। শিশুর টিকা কার্ড ও আগের প্রেসক্রিপশনও সঙ্গে রাখুন।
খুলনার শিশু বিশেষজ্ঞদের চেম্বার, বসার দিন ও ফি আমাদের শিশু বিভাগে আছে। সিরিয়ালের জন্য বুকিং লাইনে কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
এই বিষয়ে রোগীরা সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নগুলো করেন, তার সংক্ষিপ্ত উত্তর।
শুধু তাপমাত্রা নয়, শিশুর অবস্থা দেখুন। ৩ মাসের কম বয়সী শিশুর ১০০.৪°F বা বেশি জ্বর হলে সবসময় ডাক্তার দেখান; বড় শিশুর জ্বর ৩ দিনের বেশি থাকলে বা বিপদচিহ্ন থাকলে দেখান।
বেশিরভাগ জ্বর ভাইরাসজনিত, তাতে অ্যান্টিবায়োটিক কাজ করে না। ডাক্তার পরীক্ষা করে প্রয়োজন মনে করলে তবেই দেবেন।
শিশুকে কাত করে নিরাপদ জায়গায় শুইয়ে দিন, মুখে কিছু দেবেন না, সময় দেখুন। খিঁচুনি থামার পর দ্রুত হাসপাতালে নিন; ৫ মিনিটের বেশি চললে সঙ্গে সঙ্গে নিন।
আরও প্রশ্ন আছে? আমাদের বুকিং লাইনে কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন