লিখেছে টপ ডক্টরস খুলনা টিম · · ২ মিনিটে পড়ুন
প্রতি বর্ষা ও শরতে খুলনায় ডেঙ্গু বাড়ে। বেশিরভাগ রোগী বিশ্রাম ও তরল খাবারে সেরে ওঠেন, কিন্তু বিপজ্জনক পর্যায় শুরু হয় প্রায়ই জ্বর কমার সময় — সাধারণত তৃতীয় থেকে সপ্তম দিনে। সতর্ক সংকেতগুলো জানা থাকলে জীবন বাঁচে।
সাধারণ লক্ষণ
- হঠাৎ তীব্র জ্বর
- প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা
- শরীর, জোড়া ও মাংসপেশিতে ব্যথা
- বমিভাব, ক্ষুধামন্দা
- ত্বকে র্যাশ
এগুলো দেখলে দেরি না করে হাসপাতালে যান
- পেটে তীব্র বা একটানা ব্যথা
- বারবার বমি, বা পানি খেলেও বমি হয়ে যাওয়া
- দাঁতের মাড়ি বা নাক দিয়ে রক্ত, বমিতে রক্ত, কালো পায়খানা
- ৬ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় খুব কম প্রস্রাব
- হাত-পা ঠান্ডা ও ঘামে ভেজা, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা অস্থিরতা
- শ্বাসকষ্ট
- শিশুদের ক্ষেত্রে: অস্বাভাবিক ঘুমঘুম ভাব বা খিটখিটে মেজাজ
বাসায় ডেঙ্গুর যত্ন
- প্রচুর তরল পান করুন — পানি, ওরস্যালাইন, স্যুপ, ডাবের পানি, ফলের রস
- ডাক্তারের পরামর্শমতো জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল খান
- অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন বা অন্য ব্যথানাশক খাবেন না — রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়
- ডাক্তারের পরামর্শমতো সিবিসি (প্লাটিলেট) পরীক্ষা করুন ও ফলো-আপে থাকুন
প্রতিরোধ
- প্রতি ৩ দিনে বাড়ির আশপাশের জমা পানি ফেলে দিন — ফুলের টব, টায়ার, এসির ট্রে
- দিনেও মশারি ব্যবহার করুন
- লম্বা হাতার জামা পরুন ও মশা তাড়ানোর ক্রিম ব্যবহার করুন, বিশেষ করে ভোরে ও সন্ধ্যায়
এই লেখা সচেতনতার জন্য, রোগ নির্ণয়ের জন্য নয়। ডেঙ্গু সন্দেহ হলে ডাক্তার দেখান। আমরা মেডিসিন বা শিশু বিশেষজ্ঞের সিরিয়াল ও ছাড়ে সিবিসি টেস্টের ব্যবস্থা করে দিতে পারি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
এই বিষয়ে রোগীরা সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নগুলো করেন, তার সংক্ষিপ্ত উত্তর।
জ্বরের প্রথম কয়েক দিনে NS1 অ্যান্টিজেন টেস্ট; প্লাটিলেট দেখতে CBC করা হয়। কোনটি লাগবে ডাক্তার ঠিক করবেন।
শুধু ডাক্তারের পরামর্শে প্যারাসিটামল। অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন বা অন্য ব্যথানাশক খাবেন না — এতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে।
বড়দের জন্য মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, শিশুদের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ। বিপদচিহ্ন দেখা দিলে সরাসরি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।
আরও প্রশ্ন আছে? আমাদের বুকিং লাইনে কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন