লিখেছে টপ ডক্টরস খুলনা টিম · · ১ মিনিটে পড়ুন
উচ্চ রক্তচাপ বাংলাদেশে সবচেয়ে প্রচলিত দীর্ঘমেয়াদি রোগগুলোর একটি, অথচ অনেকেই জানেন না তাদের এটি আছে। চিকিৎসা না করালে এটি হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক, কিডনি ও চোখের ক্ষতি করে। সুখবর হলো — প্রতিদিনের অভ্যাস ও নিয়মিত ফলো-আপে বড় পরিবর্তন আসে।
আপনার রিডিং জানুন
- ১২০/৮০ এর নিচে আদর্শ
- বারবার মাপে ১৩০/৮০ বা বেশি হলে ডাক্তার দেখান
- ১৮০/১২০ বা বেশি — বিশেষ করে বুকে ব্যথা, তীব্র মাথাব্যথা, দুর্বলতা বা ঝাপসা দেখলে — এটি জরুরি অবস্থা
রক্তচাপ কমানোর অভ্যাস
- লবণ কমান — খাবারে আলাদা লবণ নয়, চানাচুর, চিপস, আচার ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খান
- সপ্তাহের বেশিরভাগ দিন ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটুন
- বেশি করে শাকসবজি, ফল, ডাল ও মাছ খান
- স্বাস্থ্যকর ওজন রাখুন — ৩-৫ কেজি কমালেও উপকার
- ধূমপান ছাড়ুন, জর্দা-তামাকসহ পান এড়িয়ে চলুন
- ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান ও দুশ্চিন্তা কমান
ওষুধ বিষয়ে
- ভালো লাগলেও প্রতিদিন একই সময়ে ওষুধ খান
- ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ বা ডোজ বদলাবেন না
- বাসায় রক্তচাপ মেপে লিখে রাখুন এবং প্রতিবার ডাক্তারকে দেখান
নিয়মিত পরীক্ষা করুন
উচ্চ রক্তচাপ থাকলে প্রতি বছর কিডনির কার্যকারিতা, রক্তে সুগার, কোলেস্টেরল ও ইসিজি পরীক্ষার বিষয়ে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন। আমরা হৃদরোগ বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞের সিরিয়াল ও ছাড়ে টেস্টের ব্যবস্থা করে দিতে পারি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
এই বিষয়ে রোগীরা সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নগুলো করেন, তার সংক্ষিপ্ত উত্তর।
১২০/৮০ mmHg-এর নিচে আদর্শ। বারবার ১৩০/৮০ বা তার বেশি এলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
না। প্রেসার স্বাভাবিক থাকা মানে সাধারণত ওষুধ কাজ করছে। ডাক্তারকে না জিজ্ঞেস করে ওষুধ বন্ধ বা ডোজ বদলাবেন না।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ। কিডনিতে প্রভাব পড়লে নেফ্রোলজিস্টও দেখাতে হতে পারে।
আরও প্রশ্ন আছে? আমাদের বুকিং লাইনে কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন