লিখেছে টপ ডক্টরস খুলনা টিম · · ২ মিনিটে পড়ুন
স্ট্রোক হয় যখন মস্তিষ্কের কোনো অংশে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যায় বা রক্তনালি ফেটে যায়। বাংলাদেশে মৃত্যু ও পঙ্গুত্বের অন্যতম প্রধান কারণ এটি। দ্রুত চিকিৎসা পেলে অনেক রোগী স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।
স্ট্রোকের লক্ষণ চিনুন
- মুখের এক পাশ বেঁকে যাওয়া বা হাসতে গেলে এক পাশ নামা
- এক পাশের হাত বা পা হঠাৎ দুর্বল বা অবশ
- কথা জড়িয়ে যাওয়া বা কথা বুঝতে না পারা
- হঠাৎ চোখে ঝাপসা বা দুটো দেখা
- হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা বা ভারসাম্য হারানো
এখনই যা করবেন
- লক্ষণ শুরুর সময়টা লিখে রাখুন — ডাক্তারের জন্য খুব জরুরি
- সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিন বা অ্যাম্বুলেন্স ডাকুন
- রোগীকে মুখে কিছু খাওয়াবেন না, পানিও না — গিলতে সমস্যা থাকতে পারে
- নিজে থেকে প্রেসারের ওষুধ বা অ্যাসপিরিন দেবেন না
হাসপাতালে কী হয়
জরুরি বিভাগে সাধারণত দ্রুত সিটি স্ক্যান করে দেখা হয় স্ট্রোকটি রক্ত জমাট বাঁধা থেকে নাকি রক্তক্ষরণ থেকে। দুটির চিকিৎসা সম্পূর্ণ আলাদা, তাই স্ক্যান ছাড়া চিকিৎসা শুরু করা যায় না। রক্তক্ষরণ বা মস্তিষ্কে চাপ বেশি হলে নিউরোসার্জনের প্রয়োজন হতে পারে।
স্ট্রোকের পরে কোন ডাক্তার
- নিউরোলজিস্ট — ওষুধ, কারণ খোঁজা ও পরবর্তী স্ট্রোক প্রতিরোধ
- ফিজিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও ফিজিওথেরাপিস্ট — হাঁটা ও হাতের কাজ ফিরিয়ে আনা
- মেডিসিন বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ — প্রেসার, ডায়াবেটিস ও হার্টের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ
স্ট্রোক প্রতিরোধ
- রক্তচাপ নিয়মিত মাপুন ও ওষুধ বন্ধ করবেন না
- ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখুন
- ধূমপান ও জর্দা-তামাক ছাড়ুন
- লবণ কম খান ও প্রতিদিন হাঁটুন
যেকোনো সময় অ্যাম্বুলেন্স বা খুলনার নিউরোলজিস্টের সিরিয়ালের জন্য আমাদের বুকিং লাইনে কল করুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
এই বিষয়ে রোগীরা সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নগুলো করেন, তার সংক্ষিপ্ত উত্তর।
আরও প্রশ্ন আছে? আমাদের বুকিং লাইনে কল বা হোয়াটসঅ্যাপ করুন